এস এম ফারুকী।|
মানুষ গুলো দিন দিন যেন হায়না হয়ে
যাচ্ছে দয়া মায়া হীন জড়পর্দাতে
পরিনত হচ্ছে এই জাতী যেন আই সিও তে
চলে গেছে কি অমানবিক হত্যা কান্ড
আইয়ামে জাহিলিয়াত কে ও হার
মানাচ্ছে।
গত কাল মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজে
পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফেরার সময়
কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার
নার্গিসকে অতর্কিতভাবে চাপতি দিয়ে
কুপিয়ে জখম করে বদরুল। জনসম্মুখে এ
ঘটনা ঘটালেও নার্গিসকে রক্ষায়
এগিয়ে আসেনি কেউ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বললেন, একটি মেয়েকে
মসজিদের পেছনে কোপাতে দেখে
এগিয়ে যাই। কলেজ কর্তৃপক্ষ ও অন্যদের
সহায়তায় আমরা মেয়েটিকে
হাসপাতালে নিয়ে আসি। প্রেমের
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বদরুল এ ঘটনা
ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে।
পরে শিক্ষার্থীরা তাকে গুরুত্বর
আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে
নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে
গেলরাতে নার্গিসকে ঢাকায় পাঠানো
হয়। এখন স্কয়ার হাসপাতালের
লাইফসাপোর্টে আছেন নার্গিস। তার
অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয় বলে
জানিয়েছেন চিকিৎসক।
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে
অস্ত্রোপচার চলছে সিলেট সরকারি
মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা
আক্তার নার্গিসের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টায়
অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে, তা চলবে
বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
ডাক্তার রেজাউস সাত্তার আরটিভিকে
জানান, নার্গিসের মাথায় অনেকগুলো
কোপ থাকায় তার ব্রেন কাজ করছে না।
এ অবস্থায় তার সুস্থ হবার সম্ভাবনা ৫
থেকে ১০ ভাগ।
নার্গিসের চাচা জানান, তার বাবা
সৌদি আরবে রয়েছেন এবং বড় ভাই
থাকেন চীনে। পরিবারের পক্ষ থেকে
তিনি এবং কয়েকজন হাসপাতালে
রয়েছেন।
জানা গেছে, সিলেট সরকারি মহিলা
কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী
খাদিজা আক্তার নার্গিসদের বাড়িতেই
লজিং থাকতেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি
বিভাগের ছাত্র বদরুল আলম। তার সঙ্গে
নার্গিসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু
ইদানীং তাদের বনিবনা না হওয়ায় ক্ষুদ্ধ
হয়ে বদরুল এ কাণ্ড ঘটায় বলে ধারণা করা
হচ্ছে।
এ ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
যেখানে দেখা যায়, নার্গিসকে চাপাতি
দিয়ে কোপাচ্ছে বদরুল। মেয়েটা বাঁচাও
বাঁচাও বলে চিৎকার করছে। অদূরেই
অনেক শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে থেকে সেই
ঘটনা বন্দী করছে মোবাইলে। কেউ কেউ
অবশ্য চিৎকারও করছে। কিন্তু পাষণ্ড
বদরুলের হাত থেকে নার্গিসকে বাঁচাতে
কেউই এগিয়ে যাননি।
যদিও ঘটনার পরপরই আটক করা হয় নরপশু
বদরুলকে। দেয়া হয় গণপিটুনি। পরে পুলিশ
ঘটনাস্থল থেকে বরুলকে উদ্ধার করে।
বদরুল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক।
এ ব্যাপারে এমসি কলেজের
মনোবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান
প্রফেসর সালেহ আহমদ বললেন, একটি
মেয়েকে কুপিয়ে দু’ টুকরো করে
ফেলেছে বলে কিছু ছাত্র এসে আমাদের
জানায়। সঙ্গে সঙ্গে আমরা পুলিশকে
খবর দেই। পরে তারা এসে হামলাকারী
যুবককে জনতার কবল থেকে উদ্ধার করে।
আমরা ওই মেয়েটিকে আশঙ্কাজনক
অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য
হাসপাতালে পাঠাই।
এদিকে হামলাকারীর দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে
এমসি কলেজের ছাত্র-শিক্ষকসহ
সর্বস্তরের মানুষ। বিচার চেয়ে সকালে
সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে
বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন সিলেট
সরকারি মহিলা কলেজ শিক্ষার্থীরা।
তারা বদরুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির
দাবিতে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন এবং
বুধবার জেলা প্রশাসকের কাছে
স্মারকলিপি দেয়ার ঘোষনা দেয়।
আমাদের যুব সমাজের এখনি উচিৎ জেগে
উঠার, আমরা সকল অপরাধী দের কে
আইনের আওয়তায় আন্তে চেষ্টা করি সে
যে দলের-ই হোকনা কেন। অপরাধী দের
কোন ধর্ম নেই কোন রাজনীতি নেই কিছু
মানুষ নামের অমানুষের জন্য একটা ধর্ম
একটি সুন্দর রাজনীতির দুর্নাম হতে
পারেনা, হাতের নক বড় হলে নক কেটে
পেলতে হয় হাত কিংবা আঙ্গুল না তাই
আসুন ধর্ম কিংবা রাজনীতির দোহাই
দিয়ে অপরাধীদের যেন ছেড়ে না দেই।
লেখকঃসাংবাদিক ও মানবাধিকার
কর্মী।
মানুষ গুলো দিন দিন যেন হায়না হয়ে
যাচ্ছে দয়া মায়া হীন জড়পর্দাতে
পরিনত হচ্ছে এই জাতী যেন আই সিও তে
চলে গেছে কি অমানবিক হত্যা কান্ড
আইয়ামে জাহিলিয়াত কে ও হার
মানাচ্ছে।
গত কাল মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজে
পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফেরার সময়
কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার
নার্গিসকে অতর্কিতভাবে চাপতি দিয়ে
কুপিয়ে জখম করে বদরুল। জনসম্মুখে এ
ঘটনা ঘটালেও নার্গিসকে রক্ষায়
এগিয়ে আসেনি কেউ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বললেন, একটি মেয়েকে
মসজিদের পেছনে কোপাতে দেখে
এগিয়ে যাই। কলেজ কর্তৃপক্ষ ও অন্যদের
সহায়তায় আমরা মেয়েটিকে
হাসপাতালে নিয়ে আসি। প্রেমের
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বদরুল এ ঘটনা
ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে।
পরে শিক্ষার্থীরা তাকে গুরুত্বর
আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে
নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে
গেলরাতে নার্গিসকে ঢাকায় পাঠানো
হয়। এখন স্কয়ার হাসপাতালের
লাইফসাপোর্টে আছেন নার্গিস। তার
অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয় বলে
জানিয়েছেন চিকিৎসক।
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে
অস্ত্রোপচার চলছে সিলেট সরকারি
মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা
আক্তার নার্গিসের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টায়
অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে, তা চলবে
বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
ডাক্তার রেজাউস সাত্তার আরটিভিকে
জানান, নার্গিসের মাথায় অনেকগুলো
কোপ থাকায় তার ব্রেন কাজ করছে না।
এ অবস্থায় তার সুস্থ হবার সম্ভাবনা ৫
থেকে ১০ ভাগ।
নার্গিসের চাচা জানান, তার বাবা
সৌদি আরবে রয়েছেন এবং বড় ভাই
থাকেন চীনে। পরিবারের পক্ষ থেকে
তিনি এবং কয়েকজন হাসপাতালে
রয়েছেন।
জানা গেছে, সিলেট সরকারি মহিলা
কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী
খাদিজা আক্তার নার্গিসদের বাড়িতেই
লজিং থাকতেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি
বিভাগের ছাত্র বদরুল আলম। তার সঙ্গে
নার্গিসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু
ইদানীং তাদের বনিবনা না হওয়ায় ক্ষুদ্ধ
হয়ে বদরুল এ কাণ্ড ঘটায় বলে ধারণা করা
হচ্ছে।
এ ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
যেখানে দেখা যায়, নার্গিসকে চাপাতি
দিয়ে কোপাচ্ছে বদরুল। মেয়েটা বাঁচাও
বাঁচাও বলে চিৎকার করছে। অদূরেই
অনেক শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে থেকে সেই
ঘটনা বন্দী করছে মোবাইলে। কেউ কেউ
অবশ্য চিৎকারও করছে। কিন্তু পাষণ্ড
বদরুলের হাত থেকে নার্গিসকে বাঁচাতে
কেউই এগিয়ে যাননি।
যদিও ঘটনার পরপরই আটক করা হয় নরপশু
বদরুলকে। দেয়া হয় গণপিটুনি। পরে পুলিশ
ঘটনাস্থল থেকে বরুলকে উদ্ধার করে।
বদরুল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক।
এ ব্যাপারে এমসি কলেজের
মনোবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান
প্রফেসর সালেহ আহমদ বললেন, একটি
মেয়েকে কুপিয়ে দু’ টুকরো করে
ফেলেছে বলে কিছু ছাত্র এসে আমাদের
জানায়। সঙ্গে সঙ্গে আমরা পুলিশকে
খবর দেই। পরে তারা এসে হামলাকারী
যুবককে জনতার কবল থেকে উদ্ধার করে।
আমরা ওই মেয়েটিকে আশঙ্কাজনক
অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য
হাসপাতালে পাঠাই।
এদিকে হামলাকারীর দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে
এমসি কলেজের ছাত্র-শিক্ষকসহ
সর্বস্তরের মানুষ। বিচার চেয়ে সকালে
সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে
বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন সিলেট
সরকারি মহিলা কলেজ শিক্ষার্থীরা।
তারা বদরুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির
দাবিতে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন এবং
বুধবার জেলা প্রশাসকের কাছে
স্মারকলিপি দেয়ার ঘোষনা দেয়।
আমাদের যুব সমাজের এখনি উচিৎ জেগে
উঠার, আমরা সকল অপরাধী দের কে
আইনের আওয়তায় আন্তে চেষ্টা করি সে
যে দলের-ই হোকনা কেন। অপরাধী দের
কোন ধর্ম নেই কোন রাজনীতি নেই কিছু
মানুষ নামের অমানুষের জন্য একটা ধর্ম
একটি সুন্দর রাজনীতির দুর্নাম হতে
পারেনা, হাতের নক বড় হলে নক কেটে
পেলতে হয় হাত কিংবা আঙ্গুল না তাই
আসুন ধর্ম কিংবা রাজনীতির দোহাই
দিয়ে অপরাধীদের যেন ছেড়ে না দেই।
লেখকঃসাংবাদিক ও মানবাধিকার
কর্মী।





